বৃহস্পতিবার   ২১ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৭ ১৪২৬   ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

আজকের পটুয়াখালী
ব্রেকিং:
সড়ক পরিবহন আইনের অসঙ্গতি দূর করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘বিএনপি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব সৃষ্টি করছে’- কাদের অনার্স ২য় বর্ষের ২৫ নভেম্বরের পরীক্ষা স্থগিত কোন অপপ্রচারে কান না দিতে জনগণের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ‘গোলাপি’ যাত্রা রাঙ্গাতে কাল মাঠে নামছে বাংলাদেশ সারাবিশ্বে বাংলাদেশ এখন সম্মানের দেশ: প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনী দিবসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আজ সন্ধ্যায় আ. লীগের অভ্যর্থনা উপকমিটির সভা ইউনেস্কোর সাধারণ অধিবেশনে অংশ নিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী শিখা অনির্বাণে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা দুদকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ সশস্ত্র বাহিনী নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন- প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আইভোরি কোস্টের রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাৎ সশস্ত্র বাহিনী জাতির গর্বের প্রতীক : রাষ্ট্রপতি আজ বিশ্ব টেলিভিশন দিবস সারাদেশের পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন লিখতে হবে স্পষ্ট অক্ষরে: হাইকোর্ট আজ সশস্ত্র বাহিনী দিবস শাহজালালে পৌঁছেছে পাকিস্তানের ৮২ টন পেঁয়াজ ক্রিকেটের সঙ্গে টেনিসও এগিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী
৩৯৫

ইভিএম : ভোটে প্রযুক্তি

প্রকাশিত: ২৯ নভেম্বর ২০১৮  

বাংলাদেশে ব্যালট পেপারেই ভোটগ্রহণ পদ্ধতি চালু আছে। কিন্তু আধুনিক পদ্ধতিতে মেশিনের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার প্রচলনও শুরু হয়েছে। এ প্রযুক্তির নাম ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম। বিস্তারিত জানাচ্ছেন আজহারুল ইসলাম অভি

 

ইভিএম কী : গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোট প্রয়োগে মেশিন বা ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয় বলে সামগ্রিক প্রক্রিয়াটি ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম নামে পরিচিত। এর অন্য নাম ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন।

 

ইলেকট্রনিক প্রক্রিয়ায় এটি একাধারে সঠিকভাবে ভোট প্রয়োগ ও দ্রুততার সঙ্গে ভোট গণনা করতে সক্ষম। এ ছাড়া ভোটগ্রহণে স্বচ্ছতা এবং উপযুক্ত ক্ষেত্র হিসেবে ক্রমেই সারাবিশ্বে এটি জনপ্রিয়তা অর্জন করতে চলেছে।

 

প্রয়োগ পদ্ধতি : ভোটগ্রহণের স্থান হিসেবে ভোটকেন্দ্রেই মূলত ইভিএম ব্যবহার করা হয়। এ ছাড়া ইন্টারনেট, ব্যক্তিগত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, টেলিফোন ব্যবহার করেও ই-ভোটিং প্রয়োগ করা সম্ভবপর। নতুনতর অপটিক্যাল স্ক্যান ভোটিং পদ্ধতিতে পাঞ্চ কার্ড, অপটিক্যাল স্ক্যানার ব্যবহৃত হয়। এ পদ্ধতিতে একজন ভোটার নির্বাচনী-পত্রী বা ব্যালট পেপারকে চিহ্নিত করে ভোট প্রদান করেন। এতে ব্যালট কাগজে সিল মারার পরিবর্তে ভোটার পছন্দের প্রতীকের পাশের সুইচ টিপে ভোট দিতে পারেন। প্রতিটি বুথে একটি ইভিএমের প্রয়োজন পড়ে। এটি কয়েকটি ইউনিটে ভাগ করা থাকে।

 

ইভিএমের কয়েকটি সুবিধা

 

ইভিএম ব্যবহারের ফলে কোটি কোটি টাকা খরচ সাশ্রয় হবে। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী একটি জাতীয় নির্বাচনে ১ হাজার ৮৭ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। কিন্তু ইভিএম পদ্ধতিতে একটি জাতীয় নির্বাচনে খরচ হবে মাত্র ৯০০ কোটি টাকা।

 এই প্রক্রিয়ায় কোনো ভোটারের ভোট বাতিল হবে না। ভোটের তথ্য মেশিনে প্রায় ১০ বছর ধরে অবিকৃত অবস্থায় থাকবে।

 একজন ভোটার ভোট দেওয়ার পর ১০ থেকে ১২ সেকেন্ড ব্যালট ইউনিট স্বয়ংক্রিয়ভাবে অকার্যকর থাকে। ফলে সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ইচ্ছা করলেও একজন ভোটারকে একাধিক ভোট দানের সুযোগ করে দিতে পারবেন না।

কোনো কেন্দ্র দখলের ঘটনা ঘটলে সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার কন্ট্রোল ইউনিটের ক্লোজ সুইচটি চেপে দিলেই দখলকারীরা কোনো ভোট দিতে পারবে না।

খুবই কম সময়ে ভোট গণনার কাজ সম্পন্ন হয়।

এই বিভাগের আরো খবর