• মঙ্গলবার   ০২ জুন ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৯ ১৪২৭

  • || ১০ শাওয়াল ১৪৪১

আজকের পটুয়াখালী
ব্রেকিং:
করোনা বিশ্ব বদলে দিলেও বিএনপিকে বদলাতে পারেনি: কাদের করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৩৭ মৃত্যু, শনাক্ত ২৯১১ সীমিত আকারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার নির্দেশনা খাদ্য উৎপাদন আরও বাড়াতে সব ধরনের প্রচেষ্টা চলছে: কৃষিমন্ত্রী সারা দেশকে লাল, সবুজ ও হলুদ জোনে ভাগ করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ২৩৮১ জনের করোনা শনাক্ত পুরোপুরি স্বাস্থ্যবিধি মেনে ট্রেন চলছে: রেলমন্ত্রী দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫৪৫ জনের করোনা শনাক্ত, মৃত্যু ৪০ জন বাস ভাড়া যৌক্তিক সমন্বয়, প্রজ্ঞাপন আজই: ওবায়দুল কাদের এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবো না: প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে এসএসসির ফল প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল ১২টার পরিবর্তে ১১টায় প্রকাশ হবে এসএসসির ফল করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ২৮ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৭৬৪ পদ্মাসেতুর সাড়ে ৪ কি.মি. দৃশ্যমান, বসল ৩০তম স্প্যান পদ্মা সেতুর ৩০তম স্প্যান বসছে আজ একদিনে সর্বোচ্চ আড়াই হাজার শনাক্ত, মৃত্যু ২৩ জনের বিকেল ৪টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে দোকান-শপিংমল দেশে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ২ হাজার ছাড়ালো, মৃত্যু ১৫ স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৩১ মে থেকে গণপরিবহন চালুর সিদ্ধান্ত দেশে একদিনে নতুন শনাক্ত ১৫৪১, মৃত্যু ২২
৬২

পৃথিবী জরুরি অবস্থার মুখোমুখি

আজকের পটুয়াখালী

প্রকাশিত: ৬ নভেম্বর ২০১৯  

 

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে এখন জরুরি অবস্থার মুখোমুখি পৃথিবী। এ বিষয়ে একমত পোষণ করে একটি গবেষণা প্রতিবেদনকে স্বীকৃতি দিয়েছেন বিশ্বের ১৫৩টি দেশের প্রায় ১১ হাজার বিজ্ঞানী।

দীর্ঘ ৪০ বছরের তথ্য-উপাত্ত নিয়ে করা জলবায়ুর গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে পৃথিবী এখন জরুরি অবস্থার মুখোমুখি। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সংকটের বিষয়টি আমলে নিতে ব্যর্থ হয়েছে বিশ্বের দেশগুলো।

সংকট মোকাবেলায় আমূল ও স্থায়ী পরিবর্তন ছাড়া বিশ্ব অবর্ণনীয় দুর্ভোগের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। তাই প্রতিবেদনটিতে সতর্ক করা হয়েছে। খবর বিবিসি।

গবেষকরা বলেছেন, পুরো বিশ্বের হুমকির মাত্রা সম্পর্কে সতর্ক করার তাদের নৈতিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।

সংকটের প্রকৃত স্বরূপ দেখানোর জন্য গবেষকরা বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরেছেন, যা ‘গত ৪০ বছরের জলবায়ু পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ চিহ্নগুলোর সচিত্র সংকলন’।

গবেষকদের দেওয়া এ তথ্যে উঠে এসেছে, বিশ্বব্যাপী বৃক্ষ আচ্ছাদিত স্থান হ্রাস, মানুষ ও প্রাণীকূলের সংখ্যা বৃদ্ধি, মাথাপিছু মাংস উৎপাদন এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার।

এই গবেষক দলের প্রধান সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. থমাস নিউসাম বলেছেন, জরুরি অবস্থার অর্থ হচ্ছে যদি আমরা কার্বন নিঃসরণ, গবাদিপশু উৎপাদন, ভূমির বিনাশ এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার না কমাই, তাহলে পরিস্থিতি এখনকার চেয়ে আরও বেশি ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।

সংকট মোকাবিলায় বিজ্ঞানীরা এখনই তেল ও গ্যাসের স্থানে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি , কার্বন নিঃসৃত জ্বালানি নির্ভর অর্থনীতি ও প্রবৃদ্ধি থেকে সরে আসামিথেন, হাইড্রোফ্লুরোকার্বনের ব্যবহার কমিয়ে আনা,  বন, তৃণভূমি ও ম্যানগ্রোভ বন যেগুলো বিপুল পরিমাণ কার্বন শোষণ করে তার পরিমাণ বাড়ানো, জমির বিনাশ ঠেকানো, মানুষের খাদ্যভ্যাস বদলে ফেলতে হবে বিশেষ করে মাংসে আসক্তি কমানো, খাদ্য অপচয় কমানো এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নিয়ন্ত্রণে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।

ড. নিউসাম থমাস নিউসাম বলেন, আমরা কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ বাড়িয়েছি, তাপমাত্রা বাড়িয়েছি। বিগত ৪০ বছর ধরে আমরা এটা জেনেও ঠেকানোর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করিনি ও নিচ্ছি না। আগামী দিনগুলোতে আমরা যে ভয়াবহ সমস্যায় পড়তে যাচ্ছি সেটা বুঝতে রকেট বিজ্ঞানী হওয়ার প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এই বিভাগের আরো খবর