বুধবার   ২০ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৫ ১৪২৬   ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

আজকের পটুয়াখালী
ব্রেকিং:
৭ ডিসেম্বর বিচারবিভাগীয় সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী বরিশাল বোর্ডে এসএসসিতে বৃত্তি পাচ্ছেন ১৪১৭ শিক্ষার্থী কবি সুফিয়া কামালের মৃত্যুবার্ষিকী আজ বরিশাল বোর্ডে এসএসসির ফরম পূরণে সময় বাড়লো জাতীয় অর্থনীতিতে নারীর অবদান সবচেয়ে বেশি: পলক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ট্রাক মালিকদের ফের বৈঠক আজ চক্রান্তকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে: ওবায়দুল কাদের দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী লবণের দাম বাড়ালে জেল-জরিমানা : বাণিজ্যমন্ত্রী লবণ নিয়ে গুজবে কান দিবেন না: শিল্প মন্ত্রণালয় গলাচিপায় যুবলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত ২০২১ সালের মধ্যে ১০০০ উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়তা দেবে সরকার পদ্মাসেতুর প্রায় আড়াই কিলোমিটার দৃশ্যমান সেনা কল্যাণ সংস্থার চারটি স্থাপনা উদ্বোধন মালিতে জঙ্গি হামলায় ২৪ সেনা নিহত কন্যা সন্তানের জনক হলেন তামিম কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সভা আজ বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী : ৫৪ স্থানে বসছে ক্ষণ গণনার ডিসপ্লে পদ্মা সেতুর ১৬তম স্প্যান বসছে আজ কার্গো বিমানে পেঁয়াজের প্রথম চালান আসছে আজ

পৃথিবী জরুরি অবস্থার মুখোমুখি

প্রকাশিত: ৬ নভেম্বর ২০১৯  

 

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে এখন জরুরি অবস্থার মুখোমুখি পৃথিবী। এ বিষয়ে একমত পোষণ করে একটি গবেষণা প্রতিবেদনকে স্বীকৃতি দিয়েছেন বিশ্বের ১৫৩টি দেশের প্রায় ১১ হাজার বিজ্ঞানী।

দীর্ঘ ৪০ বছরের তথ্য-উপাত্ত নিয়ে করা জলবায়ুর গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে পৃথিবী এখন জরুরি অবস্থার মুখোমুখি। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সংকটের বিষয়টি আমলে নিতে ব্যর্থ হয়েছে বিশ্বের দেশগুলো।

সংকট মোকাবেলায় আমূল ও স্থায়ী পরিবর্তন ছাড়া বিশ্ব অবর্ণনীয় দুর্ভোগের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। তাই প্রতিবেদনটিতে সতর্ক করা হয়েছে। খবর বিবিসি।

গবেষকরা বলেছেন, পুরো বিশ্বের হুমকির মাত্রা সম্পর্কে সতর্ক করার তাদের নৈতিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।

সংকটের প্রকৃত স্বরূপ দেখানোর জন্য গবেষকরা বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরেছেন, যা ‘গত ৪০ বছরের জলবায়ু পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ চিহ্নগুলোর সচিত্র সংকলন’।

গবেষকদের দেওয়া এ তথ্যে উঠে এসেছে, বিশ্বব্যাপী বৃক্ষ আচ্ছাদিত স্থান হ্রাস, মানুষ ও প্রাণীকূলের সংখ্যা বৃদ্ধি, মাথাপিছু মাংস উৎপাদন এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার।

এই গবেষক দলের প্রধান সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. থমাস নিউসাম বলেছেন, জরুরি অবস্থার অর্থ হচ্ছে যদি আমরা কার্বন নিঃসরণ, গবাদিপশু উৎপাদন, ভূমির বিনাশ এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার না কমাই, তাহলে পরিস্থিতি এখনকার চেয়ে আরও বেশি ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।

সংকট মোকাবিলায় বিজ্ঞানীরা এখনই তেল ও গ্যাসের স্থানে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি , কার্বন নিঃসৃত জ্বালানি নির্ভর অর্থনীতি ও প্রবৃদ্ধি থেকে সরে আসামিথেন, হাইড্রোফ্লুরোকার্বনের ব্যবহার কমিয়ে আনা,  বন, তৃণভূমি ও ম্যানগ্রোভ বন যেগুলো বিপুল পরিমাণ কার্বন শোষণ করে তার পরিমাণ বাড়ানো, জমির বিনাশ ঠেকানো, মানুষের খাদ্যভ্যাস বদলে ফেলতে হবে বিশেষ করে মাংসে আসক্তি কমানো, খাদ্য অপচয় কমানো এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নিয়ন্ত্রণে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।

ড. নিউসাম থমাস নিউসাম বলেন, আমরা কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ বাড়িয়েছি, তাপমাত্রা বাড়িয়েছি। বিগত ৪০ বছর ধরে আমরা এটা জেনেও ঠেকানোর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করিনি ও নিচ্ছি না। আগামী দিনগুলোতে আমরা যে ভয়াবহ সমস্যায় পড়তে যাচ্ছি সেটা বুঝতে রকেট বিজ্ঞানী হওয়ার প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এই বিভাগের আরো খবর