শুক্রবার   ১৮ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ২ ১৪২৬   ১৮ সফর ১৪৪১

আজকের পটুয়াখালী
ব্রেকিং:
৫৬ লাখ টাকার সিগারেটসহ চোরাকারবারি আটক ফটিকছড়িতে ভুক্তভোগীর ভাই সেজে ঘুষখোর ভূমি কর্মকর্তাকে ধরলেন ডিসি আবরার হত্যা নিয়ে রাজনীতি করে কোনো লাভ হবে না: হানিফ নদী দখলের খবর দিলেই মিলবে পুরস্কার মুসা বিন শমসেরের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা নিয়মের বাইরে না যেতে ইউজিসিকে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ফুটবলে বাংলাদেশের সম্ভাবনা দেখছেন ফিফা সভাপতি শেখ রাসেলের ৫৫তম জন্মদিনে আ. লীগের কর্মসূচি শেখ রাসেলের ৫৫তম জন্মদিনে ছাত্রলীগের কর্মসূচি ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীকে জার্সি উপহার দিলেন ফিফা সভাপতি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফিফা প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ বাউল সম্রাট লালন ফকিরের তিরোধান দিবস আজ একদিন পিছিয়ে আজ হেমন্তের শুরু যে কারণে প্রেমিক বা প্রেমিকা হিসাবে সাংবাদিকরাই সেরা! বাংলাদেশে কাজ করার অনেক জায়গা আছে: ফিফা সভাপতি রাজধানীতে `ফইন্নী গ্রুপের` ৬ সদস্য আটক স্পিকারের সঙ্গে সার্বিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ ক্লাসিকোর ভেন্যু পাল্টানোর অনুরোধ লা লিগার উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ১৮ কাউন্সিলর নজরদারিতে যেমন ছিল নবিজির জীবনের শেষ মুহূর্তটি
১৮০

মুখ দেখেই চলে গেলেন মা, সারার ঠাঁই হলো ছোটমনি নিবাসে

প্রকাশিত: ৭ অক্টোবর ২০১৯  

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মা-বাবার ফেলে যাওয়া কন্যা নবজাতকের ঠাঁই হচ্ছে ছোটমনি নিবাসে। সোমবার শিশুটিকে সমাজসেবা অধিদফতরের অধীনে ছোটমনি নিবাসে হস্তান্তর করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। গত ১৩ সেপ্টেম্বর সিজারিয়ান হওয়ার পরদিন সকালে ঢামেক হাসপাতালে নবজাতক রেখে পালিয়ে যায় তার মা-বাবা। এরপর হাসপাতালের পরিচালক নবজাতকের নাম রাখেন সারা। ছোট্ট শিশু সারা। এখনও সে জানেনা তার সঙ্গে কি ঘটেছে। কেন তাকে ফেলে গেছেন তার বাবা-মা।

গত ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সিজারের মাধ্যমে সারা পৃথিবীর মুখ দেখে। তার পরদিনই তাকে হাসপাতালে রেখেই পালিয়ে যায় বাবা-মা। এরপর প্রায় এক মাস পর হাসপাতাল থেকে তাকে হস্তান্তর করা হলো সমাজসেবা অধিদফতরের ছোটমনি নিবাসে।

ছোটমনি নিবাসের তত্ত্বাবধায়ক জুবলী বেগম রানু বলেন, একটা শিশু যেভাবে লালিত পালিত হয়, আমরা সেভাবে ওকে লালন-পালন করবো। আজ থেকে আমরাই ওর মা-বাবা, ওর অভিভাবক। কোর্টের মাধ্যমে কেউ যদি চায়, লিগ্যাল গার্ডিয়ানশিপ নিতে পারে। সেক্ষেত্রে যিনি নিবেন আর যিনি দিবেন, বিষয়টি ওখানেই নিস্পত্তি হবে।

শিশুটিকে নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদনের পর মা নাহার তাকে দেখতে আসেন। তবে তাকে নিয়ে যেতে রাজি হননি তিনি। শিশুটি এখন সম্পূর্ণ সুস্থ বলে জানান ঢাকা মেডিকেলের পরিচালক।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ. কে. এম নাসির উদ্দিন বলেন, শিশুর মার পারিবারিক একটি সমস্যা রয়েছে। সেক্ষেত্রে বাচ্চা নিয়ে এখন তার যে সংসার রয়েছে, সেখান সংসার করা সমস্যা হবে। এরকম একটি কারণ দেখিয়ে তিনি বাচ্চাটাকে নিতে চান না। এক্ষেত্রে বাচ্চাটাকে ভালো কেয়ারে রেখে ভালো করেছি। বাচ্চা এখন পুরোপুরি সুস্থ রয়েছে। ছোটমনি নিবাসে এই শিশুটিসহ বর্তমানে ৩৪টি শিশু রয়েছে।

এই বিভাগের আরো খবর