• শনিবার   ৩০ মে ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৫ ১৪২৭

  • || ০৭ শাওয়াল ১৪৪১

আজকের পটুয়াখালী
ব্রেকিং:
একদিনে সর্বোচ্চ আড়াই হাজার শনাক্ত, মৃত্যু ২৩ জনের বিকেল ৪টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে দোকান-শপিংমল দেশে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ২ হাজার ছাড়ালো, মৃত্যু ১৫ স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৩১ মে থেকে গণপরিবহন চালুর সিদ্ধান্ত দেশে একদিনে নতুন শনাক্ত ১৫৪১, মৃত্যু ২২ জীবন বাঁচাতে জীবিকাও সচল রাখতে হবে: কাদের ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৮৭৩ জন শনাক্ত, মৃত্যু আরও ২০ জনের র‌্যাব-৮ এর অভিযানে মাদারীপুর থেকে জেএমবি’র সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার ২৪ ঘণ্টায় ২৪ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ছাড়াল ৩০ হাজার মমতাকে সহমর্মিতা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফোন মোংলা ও পায়রা বন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত মহাবিপদ সংকেত জারি সকালে, রাতের মধ্যে আসতে হবে আশ্রয় কেন্দ্রে ২ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন বাজেট অনুমোদন আম্পানের আঘাতে ১০ ফুটের অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা আরও ১২৫১ করোনা রোগী শনাক্ত, মৃত্যু ২১ জনের আরও ৭ হাজার কওমি মাদ্রাসাকে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ সহায়তা পায়রা-মংলায় ৭, চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেশে একদিনে আক্রান্ত ও মৃত্যুর নতুন রেকর্ড পটুয়াখালীতে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিমি. বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা সমুদ্রসীমায় অবৈধ মৎস্য আহরণ বন্ধ করতে হবে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
৩০০

মুখ দেখেই চলে গেলেন মা, সারার ঠাঁই হলো ছোটমনি নিবাসে

আজকের পটুয়াখালী

প্রকাশিত: ৭ অক্টোবর ২০১৯  

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মা-বাবার ফেলে যাওয়া কন্যা নবজাতকের ঠাঁই হচ্ছে ছোটমনি নিবাসে। সোমবার শিশুটিকে সমাজসেবা অধিদফতরের অধীনে ছোটমনি নিবাসে হস্তান্তর করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। গত ১৩ সেপ্টেম্বর সিজারিয়ান হওয়ার পরদিন সকালে ঢামেক হাসপাতালে নবজাতক রেখে পালিয়ে যায় তার মা-বাবা। এরপর হাসপাতালের পরিচালক নবজাতকের নাম রাখেন সারা। ছোট্ট শিশু সারা। এখনও সে জানেনা তার সঙ্গে কি ঘটেছে। কেন তাকে ফেলে গেছেন তার বাবা-মা।

গত ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সিজারের মাধ্যমে সারা পৃথিবীর মুখ দেখে। তার পরদিনই তাকে হাসপাতালে রেখেই পালিয়ে যায় বাবা-মা। এরপর প্রায় এক মাস পর হাসপাতাল থেকে তাকে হস্তান্তর করা হলো সমাজসেবা অধিদফতরের ছোটমনি নিবাসে।

ছোটমনি নিবাসের তত্ত্বাবধায়ক জুবলী বেগম রানু বলেন, একটা শিশু যেভাবে লালিত পালিত হয়, আমরা সেভাবে ওকে লালন-পালন করবো। আজ থেকে আমরাই ওর মা-বাবা, ওর অভিভাবক। কোর্টের মাধ্যমে কেউ যদি চায়, লিগ্যাল গার্ডিয়ানশিপ নিতে পারে। সেক্ষেত্রে যিনি নিবেন আর যিনি দিবেন, বিষয়টি ওখানেই নিস্পত্তি হবে।

শিশুটিকে নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদনের পর মা নাহার তাকে দেখতে আসেন। তবে তাকে নিয়ে যেতে রাজি হননি তিনি। শিশুটি এখন সম্পূর্ণ সুস্থ বলে জানান ঢাকা মেডিকেলের পরিচালক।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ. কে. এম নাসির উদ্দিন বলেন, শিশুর মার পারিবারিক একটি সমস্যা রয়েছে। সেক্ষেত্রে বাচ্চা নিয়ে এখন তার যে সংসার রয়েছে, সেখান সংসার করা সমস্যা হবে। এরকম একটি কারণ দেখিয়ে তিনি বাচ্চাটাকে নিতে চান না। এক্ষেত্রে বাচ্চাটাকে ভালো কেয়ারে রেখে ভালো করেছি। বাচ্চা এখন পুরোপুরি সুস্থ রয়েছে। ছোটমনি নিবাসে এই শিশুটিসহ বর্তমানে ৩৪টি শিশু রয়েছে।

এই বিভাগের আরো খবর