• শনিবার   ১৭ এপ্রিল ২০২১ ||

  • বৈশাখ ৪ ১৪২৮

  • || ০৪ রমজান ১৪৪২

আজকের পটুয়াখালী
ব্রেকিং:
দেশে করোনায় মৃত্যু ১০ হাজার ছাড়াল সরবরাহ কম থাকায় চালের দাম বেশি : অর্থমন্ত্রী উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানোর অপচেষ্টা করেছে বিএনপি: কাদের একদিনে করোনায় ৬৯ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৬০২৮ নারায়ণগঞ্জে সহিংসতার ঘটনায় জামায়াত নেতা গ্রেফতার অবকাঠামো নির্মাণকাজ লকডাউনের আওতামুক্ত থাকবে: কাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলমান উন্নয়ন কাজ অব্যাহত রাখুন: তাজুল ইসলাম করোনায় একদিনে রেকর্ড ৮৩ জনের মৃত্যু হামলাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে: রেলমন্ত্রী বিশ্বে শান্তি নিশ্চিত করাটাই চ্যালেঞ্জ: প্রধানমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় বরিশালে করোনা শনাক্ত ১১৫ বাজেটে স্বাস্থ্য ও কৃষি খাত গুরুত্ব পাবে: অর্থমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় আরো ৭৮ জনের মৃত্যু আ. লীগের নিজস্ব ইতিহাস তৈরির কারখানা নেই: কাদের লকডাউনে কোথাও উন্নয়ন কাজ বন্ধ থাকবে না: পরিকল্পনামন্ত্রী ফেসবুকে ‘উসকানিমূলক’ স্ট্যাটাস: গ্রেফতার হেফাজতের লোকমান আমিনী পুরো বিশ্বেই শান্তির সংস্কৃতি ছড়িয়ে দিতে চায় বাংলাদেশ: মোমেন ১২-১৩ এপ্রিল চলমান লকডাউনের নির্দেশনা জারি থাকবে: সেতুমন্ত্রী করোনায় একদিনে সর্বোচ্চ ৭৭ জনের মৃত্যু অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা : আইনমন্ত্রী

যেকোনো নৈরাজ্য দমনে বদ্ধপরিকর সরকার: তথ্যমন্ত্রী

আজকের পটুয়াখালী

প্রকাশিত: ২৮ মার্চ ২০২১  

হেফাজতে ইসলামের সাবেক আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীকে হত্যা করা হয়েছে বলে তার পরিবারের মামলার কথা তুলে ধরে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, যারা নিজেদের আমিরকে হত্যা করার মতো অপকর্ম করে তাদের হাতে ধর্ম-রাষ্ট্র কোনটাই নিরাপদ নয়।

রোববার (২৮ মার্চ) দুপুরে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে চলমান বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

সাম্প্রতিক সময়ের বিভিন্ন ঘটনায় সরকার ইসলামি দলগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হচ্ছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সরকার যেকোনো নৈরাজ্য দমনে বদ্ধপরিকর। কারণ সরকারের দায়িত্ব জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দেয়া। সরকারের দায়িত্ব সরকারি সম্পত্তি ও জনগণের সম্পত্তি রক্ষা করা। সুতরাং আজ যারা এই কাজগুলো করছেন, সরকারের দায়িত্ব জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধানের জন্য রাষ্ট্রের শান্তি, স্থিতি ও সম্প্রীতি রক্ষার জন্য তাদের দমন করা। সরকার অবশ্যই এটি কঠোর হস্তে দমন করবে।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘হেফাজতের আমির ছিলেন মাওলানা আহমেদ শফী। তার বয়স শতবর্ষের কাছাকাছি ছিল। তার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ আনা হয়েছে এবং মামলা দায়ের করা হয়েছে যে, তাকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। যে মামলা তদন্তাধীন আছে। তাদের অভিযোগ হচ্ছে, মাওলানা শফীর নাকে রাইস টিউব ছিল এবং তাকে অক্সিজেন দেয়া হচ্ছিল। যারা হামলা-হাঙ্গামা করেছিল তারা মাওলানা আহমেদ শফীর অক্সিজেন খুলে নিয়েছিল। সেই কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। যারা নিজেদের আমিরকে হত্যা করার মতো অপকর্ম করে তাদের হাতে ধর্ম-রাষ্ট্র কোনোটাই নিরাপদ নয়।’

‘তাই যে নেতৃবৃন্দ এ কাজটি করেছেন তাদের রাজনৈতিক অভিলাষ চরিতার্থ করার জন্যই আজ এই ঘটনা ঘটাচ্ছেন। আমি কওমি মাদরাসার সবাইকে অনুরোধ জানাব, তাদের রাজনৈতিক অভিলাষ চরিতার্থ করার জন্য আপনারা হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহৃত হবেন না। সরকার কওমি মাদরাসার জন্য অনেক কিছু করেছে এবং ইসলামের খেদমতের জন্য অনেক কিছু করেছে সরকার।’

জাফরুল্লাহ চৌধুরীসহ ২০ জন বুদ্ধিজীবী বিবৃতি দিয়েছেন, ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী সংকীর্ণ হয়েছে’- এ বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বিবৃতিটি দেখেছি। যে ২০ জন বিবৃতি দিয়েছেন তাদেরকে বুদ্ধিজীবী বলতে আমার লজ্জা হচ্ছে। তাদের উচিত ছিল, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর দিন যারা ধর্মের নামে হাঙ্গামা করেছেন তাদের বিরুদ্ধে একটি বিবৃতি দেয়া। কিন্তু তারা সেটি না করে সরকারি সম্পত্তিতে যে আগুন দেয়া হয়েছে, ভূমি অফিস জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে, রেলওয়ে স্টেশন জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে, থানায় আক্রমণ করা হয়েছে, সাধারণ মানুষের ওপর আক্রমণ চালানো হয়েছে, স্বাধীনতা দিবস পালন না করে যারা এসব করেছে তাদের সমালোচনা না করে বরং তাদের পক্ষ নিয়ে বিবৃতি দেয়ার পর তারা আর স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি বলে দাবি করতে পারেন না। তারা আর টেলিভিশনের পর্দায় গিয়ে সুশীল বলে দাবি করতে পারেন না। তারা উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর সঙ্গে মিশে গেছেন। তাই তাদেরকে বুদ্ধিজীবী বলতে আমাদের লজ্জা হচ্ছে।’

সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ২৬ মার্চ ছিল- স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর দিন। সেদিন স্বাধীনতা দিবস পালন না করে একটি উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী যারা বিশৃঙ্খলা করেছে। তারা সারাদেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে। দেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে, কারণ কেন নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশে আসলেন। ভারতবর্ষ মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের এক কোটি মানুষকে আশ্রয় দিয়েছিল। ১৯৭১ সালে ভারতের সেনাবাহিনী আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে তাদের রক্ত ঝরিয়েছে। সেসময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর নেতৃত্বে ভারত সরকার বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে বিশ্ব জনমত সৃষ্টির জন্য একদেশ থেকে আরেক দেশে ঘুরেছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কোনো দলের নেতা হিসেবে নয়, আমরা ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। তিনি এসেছেন সেজন্য তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।’