• বৃহস্পতিবার   ২৬ নভেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১২ ১৪২৭

  • || ১০ রবিউস সানি ১৪৪২

আজকের পটুয়াখালী
ব্রেকিং:
ভ্যাকসিনের জন্য ৫০ শতাংশ টাকা ছাড়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩৭, শনাক্ত ২২৯২ কিংবদন্তি ফুটবলার ম্যারাডোনা আর নেই এসআই আকবরকে পালাতে সহায়তাকারী ২ পুলিশ বরখাস্ত করোনায় আরও ৩৯ জনের মৃত্যু ডিসেম্বরেই এইচএসসির ফল: শিক্ষামন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২৮, শনাক্ত ২৪১৯ শিক্ষার্থী সাওদা হত্যাকাণ্ডে আসামির যাবজ্জীবন করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩৮, শনাক্ত ২০৬০ স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃত করাই বিএনপির গণতন্ত্র: কাদের প্রখ্যাত আলেম পীরজাদা গোলাম সারোয়ার সাঈদী আর নেই মানুষের কঙ্কালসহ গ্রেফতার বাপ্পী তিন দিনের রিমান্ডে শ্রাবন্তীকে কুপ্রস্তাবের অভিযোগে খুলনায় যুবক গ্রেফতার ডিসেম্বরের মাঝামাঝিতে বসবে পদ্মাসেতুর অবশিষ্ট ৪ স্প্যান: কাদের করোনায় আরও ৩০ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৩৬৪ ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় মজনুর যাবজ্জীবন ২০২১ সালের মধ্যে ১২৯ নতুন ফায়ার স্টেশন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এএসপি আনিসুল হত্যা মামলা: রিমান্ড শেষে কারাগারে আরও ৪ টিউশন ফি ছাড়া অন্য খাতে অর্থ নিতে পারবে না স্কুল-কলেজ শাহজালালে যাত্রীর কাছ থেকে ৫ কোটি টাকার স্বর্ণের বার উদ্ধার

লাখ টাকায় প্রতিদিন লাভ ১৩০০! গ্রেফতার ৩

আজকের পটুয়াখালী

প্রকাশিত: ২৭ অক্টোবর ২০২০  

এক লাখ টাকা বিনিয়োগে প্রতিদিন ১৩০০ টাকা লাভ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় দেড় হাজার ব্যক্তির কাছ থেকে ৬ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে একটি প্রতারক চক্র। সোপান প্রপার্টিজ লিঃ নামের একটি ভুয়া প্রতিষ্ঠান দেখিয়ে চক্রটি এ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
অনলাইনের মাধ্যমে কার কত টাকা মূলধন ও কত টাকা লভ্যাংশ তা প্রদর্শনের ব্যবস্থা রেখেছিল চক্রটি। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে চক্রের মূলহোতাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম বিভাগের প্রধান অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ মো. রেজাউল হায়দার।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- গাজী মহিউদ্দিন (২৭), আনিছুর রহমান (৩৭) ও মো. হারুনুর রশীদ (৩৭)। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি কম্পিউটার, নগদ ৪৭ হাজার ৪০০ টাকা ও বিভিন্ন ব্যাংক একাউন্টে প্রতারণার ৫৯ লাখ ২৬ হাজার ৫৯৪ টাকা জমা পাওয়া গেছে। 

অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ মো. রেজাউল হায়দার বলেন, সাধারণ মানুষের বিশ্বাসযোগ্য করে তোলার জন্য চক্রটি রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকায় অফিস নিয়ে এই কাজ করতো।

তিনি বলেন, গত আট মাসে মূলধনসহ ২৫০% লভ্যাংশ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সদস্য সংগ্রহ করে এমএলএম ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল প্রতারক চক্রটি। তারা সরকারি চাকরিজীবী ও তুলনামূলক ধনী ব্যক্তিদের টার্গেট করে সদস্য বানাতো। 

তিনি আরও বলেন, ওয়েবসাইটে ওরা গ্রাহকদের লগইন করার ব্যবস্থাও রেখেছিল। বিভিন্ন প্যাকেজে লভ্যাংশও দিতো।

শেখ মো. রেজাউল হায়দার বলেন, একজন সদস্য আরও তিনজনকে নিয়ে এলে তাকে ১০% বোনাসসহ ১০ হাজার টাকা অতিরিক্ত লাভ দিতো। এভাবে তিন মাসে ১৪২৭ জনের কাছ থেকে প্রায় ৬ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে তারা।