• মঙ্গলবার   ০২ মার্চ ২০২১ ||

  • ফাল্গুন ১৭ ১৪২৭

  • || ১৮ রজব ১৪৪২

আজকের পটুয়াখালী
ব্রেকিং:
ঢাবির ১২ শিক্ষার্থীকে স্থায়ী বহিষ্কার দেশবিরোধী একটি মহল সরকার হটানোর ষড়যন্ত্র করছে: কাদের করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৮, শনাক্ত ৫৮৫ মুশতাকের মৃত্যুর কারণ তদন্তে বেরিয়ে আসবে: তথ্যমন্ত্রী আজ থেকে ২ মাস ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ প্রেস ক্লাবে চরম ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে পুলিশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশে কোনো গরিব মানুষ থাকবে না : তথ্যমন্ত্রী বেসরকারি চিকিৎসা সেবা ব্যয় নির্ধারণ শিগগিরই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাটকা সংরক্ষণে কাল থেকে ৬ জেলায় মাছ ধরা নিষিদ্ধ করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৮, শনাক্ত ৩৮৫ আমরা শিক্ষিত ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ৬০ কর্মদিবস পর পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী এ এক বদলে যাওয়া বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের কৃতিত্ব নতুন প্রজন্মের : প্রধানমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৫, শনাক্ত ৪০৭ উৎসবমুখর পরিবেশে হবে ৫ম ধাপের পৌরসভা নির্বাচন: কাদের মুজিবনগর-কলকাতা স্বাধীনতা সড়কের কাজ শেষ পর্যায়ে: এলজিআরডি মন্ত্রী রেলে ১২ হাজার লোক নিয়োগ দেয়া হবে: রেলপথ মন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৫, শনাক্ত ৪১০ বঙ্গবন্ধুর পরিবার সততা, মেধা ও সাহসের প্রতীক: কাদের

সারাদেশে হোটেল-রেস্টুরেন্টের খাবার পরীক্ষা করতে হবে:প্রধানমন্ত্রী

আজকের পটুয়াখালী

প্রকাশিত: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১  

নিরাপদ খাবার নিশ্চিত করতে দেশের সবখানে হোটেল-রেস্টুরেন্টের খাবার পরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাজধানীর বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে খাবারের মান পরীক্ষা করে যেভাবে গ্রেডিং স্টিকার দেওয়া হচ্ছে এবং নিয়তি মনিটরিং করা হচ্ছে, সারা দেশেই সেই ব্যবস্থা চালু করতে বলেছেন তিনি। আজ বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস-২০২১ এর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশ দেন। পাশাপাশি অনলাইনে অর্ডারভিত্তিক খাবারের মান নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলেছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবসের অনুষ্ঠানে যুক্ত হন।

সরকারপ্রধান বলেন, ‘এটা খুব ভালো যে রাজধানীর বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট-হোটেলে খাবারের মান পরীক্ষা করে গ্রেডিং স্টিকার দেওয়া হচ্ছে, মনিটরিং করা হচ্ছে। রাজধানীর পাশাপাশি পুরো দেশেই এটা হওয়া দরকার। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য যা সহযোগিতা করা দরকার করবো। এর জন্য টাকা লাগবে। অর্থমন্ত্রী আমার পাশে আছেন। সমস্যা নাই। তিনি এটা দেখবেন। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য যা প্রয়োজন সব করবো।’   

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকাল অনলাইনে অর্ডারের ভিত্তিতে বিভিন্ন জায়গায় খাবার যাচ্ছে। ফুড সাপ্লাই হচ্ছে। এটা সঠিকভাবে হচ্ছে কিনা দেখা দরকার।’

খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধে সচেতননতা বাড়ানোর হতে বলেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দুই পয়সা বেশি কামানোর জন্য এরা ভেজাল দিতেই থাকে। পচ-গন্ধ খাবার দিতে থাকে। খাবারের মানটা ঠিক রাখার জন্য দামটা হয়তো একটু বেশি পরতে পারে, কিন্তু ভেজাল যাতে দিতে না পারে সেটা নজরদারি করতে হবে। কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।’

ঢাকায় কেন্দ্রীয়ভাবে খাদ্যের মান পরীক্ষার পাশাপাশি প্রত্যেক বিভাগে এবং গ্রাম পর্যায়েও ফুড টেস্টিং ল্যাবরেটরি করার কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। রফতানি করতে হলে খাবারের মান বাড়ানো ও খাদ্য পরীক্ষার ওপর জোর দিতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। খাবারের পাশাপাশি কৃষিজমির গুণাগুণ ও ফসলের মান পরীক্ষার কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বক্তব্য রাখেন।

বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, ‘১৯৯৬ সালে যখন ক্ষমতায় আসি, দেশে ৪০ লাখ মেট্খারিক টন খাদ্য ঘাটতি ছিল। এর আগের সরকারগুলো কখনও খাদ্যে সংসম্পূর্ণতা অর্জনে দৃষ্টি দেয়নি। আমদানির ওপরই তাদের নির্ভরতা ছিল। কারণ আমদানির সঙোগ তাদের নিজেদের লোকজন যুক্ত ছিল। আমরাই প্রথম খাদ্যে সয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পদক্ষেপ নেই। আওয়ামী লীগ সরকার ব্যবসা করতে আসেনি, আমরা সেবা করতে এসেছি। কারও কাছে হাত পেতে চলতে চাই না। মাটি ও মানুষক সম্বল করে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছি।  আমরা নিজেদের খাদ্য নিজেরা উৎপাদন করবো। নিজেদের পুষ্টি নিশ্চিত করবো।‘

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ করেছি, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ করেছি, গবেষণার ওপর গুরুত্ব দিয়েছি। ফুড গ্রেড ল্যাবরেটরি করে রফতানির প্রতিবন্ধকতা দূর করেছি। অনেকগুলো কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় করেছি। গবেষণার জন্য বিশেষ বরাদ্দ দিয়েছি। লবণাক্ত সহিঞ্চু ধান, খরা সহিঞ্চু ফল-ফসল এরকম অনেক ভালো ভালো গবেষণা হয়েছে।‘ 

প্রধানমন্ত্রী সুষম খাদ্য নিয়ে প্রচারের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, ছোট শিশু, বয়স্ক, মাতৃত্বকালে নারীদের কী কী খেতে হবে, কীভাবে খেতে হবে সেসব বিষয়ে মানুষকে জানাতে হবে। মানুষের জীবনমান উন্নত হোক, ক্রয়ক্ষমতা বাড়ুক। একইসঙ্গে সুষম খাদ্যগ্রহণের সচেতনতাও তৈরি হোক।