• সোমবার   ২৫ অক্টোবর ২০২১ ||

  • কার্তিক ৯ ১৪২৮

  • || ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

আজকের পটুয়াখালী
ব্রেকিং:
দেশের ভাবমূর্তি নষ্টকারীদের বিষয়ে সচেতন হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী মাঝে মধ্যে কিছু ঘটিয়ে দেশের ভাবমূর্তি নষ্টের অপচেষ্টা হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন পায়রা সেতুতে হাঁটতে পারলে ভালো লাগতো: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে কেউ আর পিছিয়ে রাখতে পারবে না: প্রধানমন্ত্রী স্বপ্নের পায়রা সেতু উদ্বোধন ‘বাসযোগ্য গ্রহ থেকে অনেক অনেক দূরে রয়েছে বিশ্ব’ পায়রা সেতুর উদ্বোধন আজ, দক্ষিণাঞ্চলের আরেকটি স্বপ্নপূরণ নেতাকর্মীদের নজরদারি বাড়াতে বললেন শেখ হাসিনা কুমিল্লার ঘটনা দুঃখজনক, অপরাধীর বিচার হবে: প্রধানমন্ত্রী ‘দেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি পণ্য হবে ডিজিটাল ডিভাইস’ সরকারের ধারাবাহিকতা আছে বলেই উন্নয়ন সম্ভব হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী বিদেশে বিনিয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী পূর্বাচলে প্রদর্শনীকেন্দ্র উদ্বোধন করবেন আজ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রদায়িক অপশক্তির তৎপরতা প্রতিরোধের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘এমন বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে শিশুরা বড় হবে সুন্দর পরিবেশে’ একটা অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বাংলাদেশকে গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী আমাদের ছোট রাসেল সোনা: শেখ হাসিনা শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন করোনাকালে ১৬০০ ভার্চুয়াল সভায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

আজ বিশ্ব দৃষ্টি দিবস

আজকের পটুয়াখালী

প্রকাশিত: ১৪ অক্টোবর ২০২১  

১৪ অক্টোবর, আজ বিশ্ব দৃষ্টি দিবস। প্রতি বছর অক্টোবরের দ্বিতীয় বৃহস্পতিবার বিশ্ব দৃষ্টি দিবস পালন করা হয়।  বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে অন্ধত্ব এবং চোখের বিকলতা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে পুরো বিশ্বজুড়ে পালন করা হয়। ২০০০ সালে লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল কর্তৃক অনুষ্ঠিত সাইট-ফার্স্ট-ক্যাম্পেইনের ফলশ্রুতিতে এই দিবসের শুরু হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহায়তায় আন্তর্জাতিক অন্ধতা দূরীকরণ সংস্থার পরিচালনায় এই দিবসটি বহুল ভাবে প্রচারিত হয়ে ভিশন ২০২০ পর্যন্ত উন্নীত করা হয়েছে। ৯ অক্টোবর, ২০১৪ সালে বিশ্ব দৃষ্টি দিবসের বিষয়বস্তু ছিল- 'আর নয় অবজ্ঞাপূর্ণ অন্ধতা'। এটা ২০১৪ সালের অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং অন্ধত্ব প্রতিরোধ জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থা (আইএবিপি) জানিয়েছে, অন্ধত্বের ৭৫ শতাংশ এবং গুরুতর দৃষ্টি প্রতিবন্ধকতা এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব। বিশ্ব দৃষ্টি দিবস প্রত্যেকের জন্য একটি মঞ্চ তৈরি করে, যেখানে সরকার, প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তিদেরকে ‘সংহত লোককেন্দ্রিক চক্ষু যত্ন’ সেবা গড়ে তুলতে জোর দিতে পারবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০১৯ সালে দৃষ্টিশক্তির উপর প্রথম প্রতিবেদনটি চালু করেছিল। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ব জুড়ে কমপক্ষে ২ দশমিক ২ বিলিয়ন মানুষ দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বা অন্ধ, তার মধ্যে এক বিলিয়ন মানুষের ক্ষেত্রে যাদের গ্লোকমা বা ছানির মতো সমস্যা হয়েছিল, তারা যদি সঠিক সময়ে চিকিৎসা পেতেন তাহলে এই অবস্থা এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব ছিল।  

দৃষ্টি প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির জন্য অন্যান্য সাধারণ শর্তগুলো :

মায়োপিয়া (ক্ষীণদৃষ্টি)
বাড়ির ভিতরে বেশি সময় কাটানো এবং চোখের 'কাছাকাছি কাজ' মায়োপিয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি করে। ঘরের বাইরে বেশি সময় কাটান, এটি মায়োপিয়ার ঝুঁকি হ্রাস করতে পারে।

ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি
দৃষ্টি প্রতিবন্ধকতার অন্যতম কারণ হলো টাইপ-২ ডায়াবেটিস। এই রোগ দ্রুত শনাক্ত এবং চিকিৎসা করা প্রয়োজন।  

বিলম্বিত শনাক্তকরণ
সর্বত্র চোখের রুটিন পরীক্ষা করার সুযোগ না থাকায়, রোগ শনাক্তকরণ দেরি হয়। সর্বজনীন স্বাস্থ্য অন্তর্ভুক্তির অন্যতম অংশ হওয়া উচিৎ চোখের সেবা।

৭৪ তম বিশ্ব স্বাস্থ্য সমাবেশে (ওয়ার্ল্ড হেলথ অ্যাসেমব্লি) প্রতিরোধ, প্রাথমিক শনাক্তকরণ, চিকিৎসা এবং পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা স্তরের সঙ্গে চোখের চিকিৎসা সংযুক্তিকরণের প্রস্তাব দিয়েছে। জনগণ যাতে তাদের বাড়ির কাছাকাছি এই পরিষেবাগুলি পায়, সেদিকেও নজর দিতে বলা হয়েছে।

চোখের যত্নের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে ব্যক্তি এবং সমাজ উভয়কেই আরও সচেতন হতে হবে। দৃষ্টি প্রতিবন্ধকতা রোধ করা এবং মোকাবিলা করা কেবল জীবনের মান উন্নত করে তাই নয়, মানুষকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী থাকতেও সাহায্য করে।

অন্ধত্ব এবং দৃষ্টি প্রতিবন্ধকতা নিবারণে জাতীয় কর্মসূচি, ভারত সরকারের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের সম্পূর্ণ পৃষ্ঠপোষকতায় ১৯৭৬ সালে এটি চালু হয়েছিল। এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য ছিল, ভারতে চোখের যত্নের পরিষেবা এবং সম্প্রদায়ের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে অন্ধত্ব এবং দৃষ্টি প্রতিবন্ধকতা প্রতিরোধ করা।