• বৃহস্পতিবার   ০২ ডিসেম্বর ২০২১ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৮ ১৪২৮

  • || ২৫ রবিউস সানি ১৪৪৩

আজকের পটুয়াখালী
ব্রেকিং:
প্রশিক্ষিত সামরিক বাহিনী গঠনে বিভিন্ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছি বাংলাদেশ আর পিছিয়ে যাবেনা, এগিয়ে যাবে : প্রধানমন্ত্রী যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সদাপ্রস্তুত পার্বত্য শান্তিচুক্তির ফলে দীর্ঘদিনের সংঘাতের অবসান ঘটে পার্বত্য শান্তিচুক্তি বিশ্বের ইতিহাসে বিরল ঘটনা: প্রধানমন্ত্রী ব্যবসায়ীদের দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ২৪ বছরে পার্বত্য শান্তি চুক্তি আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না: প্রধানমন্ত্রী গাড়ি ভাঙচুর-আগুন দিলেই ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল উদ্বোধন ও জয়িতা টাওয়ারের ভিত্তি স্থাপন সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে ঢাবি: প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘ বাংলাদেশকে অব্যাহত সমর্থন দেবে ওমিক্রন: করণীয় নির্ধারণে বৈঠকে ১৮ মন্ত্রণালয় রাজস্ব বোর্ডকে সেবাধর্মী, জনবান্ধব ও করদাতাবান্ধব করেছে সরকার ষড়যন্ত্র থাকবে, তবু দেশ এগিয়ে যাবে: প্রধানমন্ত্রী বৈদেশিক বিনিয়োগে বাংলাদেশের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে: প্রধানমন্ত্রী অর্থনৈতিক অঞ্চলসমূহে ২৭ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব পেয়েছি বিনিয়োগ শীর্ষ সম্মেলন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বিজনেস সামিট বিনিয়োগ বাজার তৈরি করবে: প্রধানমন্ত্রী তৃতীয় ধাপে এক হাজার ইউপিতে ভোটগ্রহণ শুরু

ঐতিহাসিক বাবলা বন গণহত্যা দিবস আজ

আজকের পটুয়াখালী

প্রকাশিত: ২৫ নভেম্বর ২০২১  

রাজশাহীর ঐতিহাসিক বাবলা বন গণহত্যা দিবস আজ বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর)। এই বেদনাবিধুর দিনে একাত্তরের বিজয়ের প্রাক্কালে রাজশাহীর ১৭ স্বাধীনতাকামী বীর সন্তানকে পাকিস্তানি দোসরদের সহায়তায় তুলে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

বিজয়ের পর ৩১ ডিসেম্বর রাজশাহীর পদ্মাচর শ্রীরামপুর এলাকার থেকে তাদের দড়িবাধা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাদের মরদেহ দেখতে সেদিন বোয়ালিয়া ক্লাব চত্বর পদ্মার পাড়ে জনতার ঢল নামে। তবে দুঃখজনক হলেও সত্য, স্বাধীনতার ৫০ বছরেও সরকারিভাবে বাবলা বন গণহত্যা দিবস পালন করা হয় না।

রাজশাহী ৭ নম্বর সেক্টরের ৪ নম্বর সাব সেক্টর কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা সফিকুর রহমান রাজা জানান, পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ সদস্য নাজমুল হক সরকার, সরকারি কর্মকর্তা আবদুল হক সরকার, অধ্যাপক মীর আব্দুল কাইয়ুম, শামসুল ইসলাম ঝাটু, অ্যাডভোকেট সুরেশ পাণ্ডে ও বীরেন সরকারসহ শত শত বাঙালি এবং বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করা হয়েছিল ‘টি-গ্রোয়েন’ সংলগ্ন এই বাবলা বন বধ্যভূমিতে।

মুক্তিযোদ্ধা সফিকুর রহমান রাজা জানান, ওই বধ্যভূমি থেকে একই দড়িতে বাঁধা ১৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছিলেন তারা। এমন হত্যাযজ্ঞের নিদর্শন রয়েছে প্রতিটি বধ্যভূমিতেই। কিন্তু বাবলা বনের মত মহানগরীর অন্য বধ্যভূমিগুলোও সংরক্ষণ করা হয়নি।

রাজশাহী শহর রক্ষা বাঁধের ‘টি-গ্রোয়েন’ লাগোয়া বাবলা বন বধ্যভূমিতে এত দিন ছিল না কোনো স্মৃতিসৌধ। শুধু একটি স্মৃতিফলকই সাক্ষ্য দিত কলঙ্কিত সেই গণহত্যার। তবে গেল বছর সেখানে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে একটি স্মৃতিসৌধ।