• সোমবার   ১৬ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ২ ১৪২৯

  • || ১৩ শাওয়াল ১৪৪৩

আজকের পটুয়াখালী
ব্রেকিং:
উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি খাদ্য সাশ্রয় করুন: প্রধানমন্ত্রী সবাই স্বাধীনভাবে সরকারের সমালোচনা করতে পারে: প্রধানমন্ত্রী ‌ঢাকায় বসে সমালোচনা না করে গ্রামে ঘুরে আসুন বঙ্গবন্ধুর নাম কেউ মুছে ফেলতে পারবে না: প্রধানমন্ত্রী আমিরাতের নতুন প্রেসিডেন্টকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন শেখ হাসিনাকে স্পেনের সরকার প্রধানের শুভেচ্ছা পি কে হালদার গ্রেফতার নানামুখী ষড়যন্ত্র হচ্ছে, সতর্ক থাকতে বললেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে সমর্থন দেওয়ার প্রত্যয় এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্টের আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক আমিরাতের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের চার বছর পূর্তি আজ নারী খেলোয়াড়দের আরও সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ‘খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চা একটি জাতির জন্য অপরিহার্য’ ফ্ল্যাটে বাস করে শিশুরা ফার্মের মুরগির মতো হয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার দেয়া হচ্ছে ৮৫ ক্রীড়া ব্যক্তিত্বকে রাষ্ট্রপতির সাজেক সফর স্থগিত একনেকে ৫ হাজার ৮২৫ কোটি টাকার ১১ প্রকল্প অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বর্ধিত বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক

আজকের পটুয়াখালী

প্রকাশিত: ১৪ মে ২০২২  

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। শুক্রবার (১৩ মে) সন্ধ্যায় এক বার্তায় এই শোক প্রকাশ করেন তিনি।

শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে প্রয়াত প্রেসিডেন্ট শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

‘তার মৃত্যুতে বাংলাদেশে একজন পরীক্ষিত ও অকৃত্রিম বন্ধুকে হারালো।’

শোকবার্তায় আবদুল হামিদ মরহুম প্রেসিডেন্ট জায়েদ আল নাহিয়ানের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। এ সময় তিনি প্রয়াত প্রেসিডেন্টের পরিবার, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকার ও জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

এর আগে, শুক্রবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট ও আবুধাবির শাসক শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ান মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর।

শেখ খলিফা বিন জায়েদ ২০০৪ সালের ৩ নভেম্বর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট ও আবুধাবির শাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। আমিরাতের প্রথম প্রেসিডেন্ট শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ানের মৃত্যুর পর তার উত্তরসূরী নির্বাচিত হন শেখ খলিফা।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে দেশটির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় উভয় সরকার পুনর্গঠনে জোরালো ভূমিকা রাখেন শেখ খলিফা। তার শাসনামলে আমিরাত দ্রুত উন্নয়নের পথে এগোতে থাকে এবং দেশটির বাসিন্দাদের শান্তিপূর্ণ জীবনযাপন নিশ্চিত হয়।

শেখ খলিফা আমিরাতের তেল-গ্যাস খাতের উন্নয়নসহ দেশটির অর্থনীতি বহুমুখীকরণে সফলভাবে অবদান রেখেছেন।

তিনি ফেডারেল ন্যাশনাল কাউন্সিলের সদস্য মনোনয়ন পদ্ধতির বিকাশে একটি উদ্যোগ নিয়েছিলেন, যা সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরাসরি নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হয়।