• শুক্রবার   ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ ||

  • আশ্বিন ১৪ ১৪২৯

  • || ০২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

আজকের পটুয়াখালী
ব্রেকিং:
বিভিন্ন আয়োজনে শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপিত নভেম্বরে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ‘সব কথা বলার পর কেউ যদি বলে আমাকে কথা বলতে দিল না, তার কি জবাব!’ উন্নয়ন যাত্রার অনন্য সারথি শেখ হাসিনা শত প্রাপ্তিতেও যার তৃপ্তি কেবল মানুষের ভালোবাসাতেই ‘সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার নবতর সংগ্রামের কাণ্ডারি শেখ হাসিনা’ প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে ৭৬ হাজার চারা রোপণ করবে আওয়ামী লীগ শেখ হাসিনা: এক মানবিক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে প্রকাশ হলো ‘বাংলাদেশের নেতা’ (ভিডিও) শান্তি ও উন্নয়নের অগ্রদূত শেখ হাসিনা দক্ষ হাসিনায় নির্ভার বাংলাদেশ পিতা দিয়েছেন স্বাধীনতা, কন্যা দিয়েছে উন্নতি শেখ হাসিনা, জীবন যেন এক ফিনিক্স পাখির গল্প প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন আজ বঙ্গবন্ধুকে নিবেদিত বেঞ্চ ও বৃক্ষ পরিদর্শনে শেখ হাসিনা বাংলাদেশ বিপুল পর্যটন সম্ভাবনাময়: প্রধানমন্ত্রী পর্যটনশিল্প বিকাশে অবারিত সুযোগ আছে: রাষ্ট্রপতি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ৯ অক্টোবর জটিলতা কাটলেই চলবে ঢাকা-নিউইয়র্ক বিমান: প্রধানমন্ত্রী

বঙ্গমাতার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

আজকের পটুয়াখালী

প্রকাশিত: ৮ আগস্ট ২০২২  

প্রধানমন্ত্রীর ও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন শেখ হাসিনা। সোমবার সকালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে তিনি এই শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে স্বাস্থ্য সুরক্ষাবিধি মেনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কবরস্থানে কোরানখানি, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

দিবসটিতে সরকারি কর্মসূচি ছাড়াও আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন শ্রদ্ধা নিবেদন, আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছে। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার ছাড়াও বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করবে।

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

বঙ্গমাতা ১৯৩০ সালের ৮ আগস্ট তৎকালীন গোপালগঞ্জ জেলার (তৎকালীন মহকুমা) টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার ডাকনাম ছিল রেণু। বাবার নাম শেখ জহুরুল হক, মায়ের নাম হোসনে আরা বেগম। এক ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন ছোট। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে তিনি জাতির পিতার হত্যাকারীদের হাতে নির্মমভাবে শাহাদাৎবরণ করেন।

বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের মধ্যদিয়ে স্বাধীনতা লাভ করে বাংলাদেশ। এ লড়াই-সংগ্রাম-আন্দোলনের নেপথ্যে প্রেরণাদাত্রী ছিলেন ফজিলাতুন নেছা মুজিব। তিনি বঙ্গবন্ধুর গোটা রাজনৈতিক জীবনে ছায়ার মতো অনুসরণ করে তার প্রতিটি কাজে প্রেরণার উৎস হয়ে ছিলেন। বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ছয় দফা ঘোষণার পর বঙ্গবন্ধু যখন বারবার পাকিস্তানি শাসকদের হাতে বন্দি জীবনযাপন করছিলেন, তখন আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের কাছে ছুটে যেতেন। তিনি তাদের বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা পৌঁছে দিতেন ও লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা যোগাতেন।

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বঙ্গবন্ধুর প্যারোলে মুক্তি নিয়ে যখন কিছু কুচক্রী স্বাধীনতা সংগ্রামকে বিপন্ন করার ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছিল, তখন প্যারোলে মুক্তির বিপক্ষে বেগম মুজিবের দৃঢ়চেতা অবস্থান বাংলার মুক্তি সংগ্রামকে ত্বরান্বিত করেছিল। স্বামী বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ছায়ার মতো অনুসরণ করা বেগম মুজিব জীবনে অনেক ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করেছেন। এজন্য অনেক কষ্ট-দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে তাকে।

এদেশের মানুষের আন্দোলন-সংগ্রামে বেগম মুজিব যে কর্তব্যনিষ্ঠা, দেশপ্রেম, দূরদর্শী চিন্তা, বুদ্ধিমত্তা ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন তার ফলে জাতির পিতার পাশাপাশি তিনি আজ বঙ্গমাতার আসনে অধিষ্ঠিত। এ দেশের রাজনীতিতে তার অনন্য সাধারণ ভূমিকার জন্য চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।