• বৃহস্পতিবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ ||

  • আশ্বিন ১৪ ১৪২৯

  • || ০২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

আজকের পটুয়াখালী
ব্রেকিং:
বিভিন্ন আয়োজনে শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপিত নভেম্বরে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ‘সব কথা বলার পর কেউ যদি বলে আমাকে কথা বলতে দিল না, তার কি জবাব!’ উন্নয়ন যাত্রার অনন্য সারথি শেখ হাসিনা শত প্রাপ্তিতেও যার তৃপ্তি কেবল মানুষের ভালোবাসাতেই ‘সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার নবতর সংগ্রামের কাণ্ডারি শেখ হাসিনা’ প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে ৭৬ হাজার চারা রোপণ করবে আওয়ামী লীগ শেখ হাসিনা: এক মানবিক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে প্রকাশ হলো ‘বাংলাদেশের নেতা’ (ভিডিও) শান্তি ও উন্নয়নের অগ্রদূত শেখ হাসিনা দক্ষ হাসিনায় নির্ভার বাংলাদেশ পিতা দিয়েছেন স্বাধীনতা, কন্যা দিয়েছে উন্নতি শেখ হাসিনা, জীবন যেন এক ফিনিক্স পাখির গল্প প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন আজ বঙ্গবন্ধুকে নিবেদিত বেঞ্চ ও বৃক্ষ পরিদর্শনে শেখ হাসিনা বাংলাদেশ বিপুল পর্যটন সম্ভাবনাময়: প্রধানমন্ত্রী পর্যটনশিল্প বিকাশে অবারিত সুযোগ আছে: রাষ্ট্রপতি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ৯ অক্টোবর জটিলতা কাটলেই চলবে ঢাকা-নিউইয়র্ক বিমান: প্রধানমন্ত্রী

শিশুদের সুরক্ষায় কাজ করতে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী

আজকের পটুয়াখালী

প্রকাশিত: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২  

শিশুদের সুরক্ষায় কাজ করতে সরকার বদ্ধপরিকর- জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা বিশ্বাস করি, আজকের শিশুরা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তাদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিশুদের মৌলিক অধিকারগুলো নিশ্চিত করতে হবে। সোমবার ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ইউনিসেফের উদ্যোগে শিশু সুরক্ষায় প্রথম জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে এক ভিডিও বার্তায় তিনি একথা বলেন।

বাংলাদেশের জনসংখ্যার অর্ধেক ১৮ বছরের নিচে আর পাঁচ বছরের নীচে শিশুর সংখ্যা ২ কোটিরও বেশি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সরকারসহ উন্নয়ন সংস্থাগুলো এসব শিশুদের সুযোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার সংক্ষিপ্ত সময়ে শিশুদের অধিকার নিশ্চিতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। বাংলাদেশের সংবিধানের কয়েকটি ধারায় শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিতের কথা বলা হয়েছে।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “শিশুদের অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দারিদ্র অন্যতম বাধা। আমাদের সরকার সব প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য একটি জাতীয় সামাজিক সুরক্ষা কৌশল প্রণয়ন করেছে। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় সরকার এক কোটিরও বেশি মানুষকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে। শিশুরাও এসব কর্মসূচির উপকারভোগী। প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে আমরা অভূতপূর্ব সাফল্য লাভ করেছি। ৯৮ শতাংশ স্কুলগামী শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষায় অন্তর্ভুক্ত করা গেছে। এছাড়া শিশু মৃত্যুহার ও মাতৃমৃত্যুহার কমিয়ে আনা হয়েছে। নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতে সারাদেশে ১৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করা হয়েছে।”

প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও শিশুদের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী তার কন্যা ড. সায়েম ওয়াজেদের কাজকে প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের সরকার ২০১৬ সালে শিশু হেল্প লাইন ১০৯৮ চালু করেছে। এই হেল্প লাইন ১০ লাখেরও বেশি শিশু ও তাদের পরিবারের কথা শুনেছে। থানাগুলো শিশুবান্ধব করার লক্ষ্যে চাইল্ড হেল্প ডেস্ক স্থাপন করা হয়েছে। একসময় শিশু শ্রম বাংলাদেশে অনেক বড় সমস্যা ছিল। আমাদের দেশে শিশুশ্রম উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনা হয়েছে। রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্প এখন শিশুশ্রম মুক্ত।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা আমাদের শিশুদের মান উন্নয়নে সবকিছু করছি, যদিও আরও অনেক কিছু করতে হবে। শিশুদের অধিকতর উন্নয়নে একটি জাতীয় নীতিমালা প্রণয়ন করা যেতে পারে। শিশু সুরক্ষা কার্যক্রম একটি নিয়মিত কর্মসূচি হিসেবে চালু করা যেতে পারে। পাশাপাশি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করা যেতে পারে। আমাদের সরকার দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে একত্রে মিলে শিশু সুরক্ষায় কাজ করতে বদ্ধপরিকর।”

জাতীয় সম্মেলন আয়োজন করার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ইউনিসেফকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।