• সোমবার   ১৬ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ২ ১৪২৯

  • || ১৩ শাওয়াল ১৪৪৩

আজকের পটুয়াখালী
ব্রেকিং:
উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি খাদ্য সাশ্রয় করুন: প্রধানমন্ত্রী সবাই স্বাধীনভাবে সরকারের সমালোচনা করতে পারে: প্রধানমন্ত্রী ‌ঢাকায় বসে সমালোচনা না করে গ্রামে ঘুরে আসুন বঙ্গবন্ধুর নাম কেউ মুছে ফেলতে পারবে না: প্রধানমন্ত্রী আমিরাতের নতুন প্রেসিডেন্টকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন শেখ হাসিনাকে স্পেনের সরকার প্রধানের শুভেচ্ছা পি কে হালদার গ্রেফতার নানামুখী ষড়যন্ত্র হচ্ছে, সতর্ক থাকতে বললেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে সমর্থন দেওয়ার প্রত্যয় এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্টের আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক আমিরাতের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের চার বছর পূর্তি আজ নারী খেলোয়াড়দের আরও সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ‘খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চা একটি জাতির জন্য অপরিহার্য’ ফ্ল্যাটে বাস করে শিশুরা ফার্মের মুরগির মতো হয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার দেয়া হচ্ছে ৮৫ ক্রীড়া ব্যক্তিত্বকে রাষ্ট্রপতির সাজেক সফর স্থগিত একনেকে ৫ হাজার ৮২৫ কোটি টাকার ১১ প্রকল্প অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বর্ধিত বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

করোনার নতুন উপসর্গ টিনিটাস, সতর্ক করল হু

আজকের পটুয়াখালী

প্রকাশিত: ৯ মে ২০২২  

বর্তমানে সারা বিশ্বে যখন ওমিক্রন বিএ২ ভ্যারিয়েন্টের দাপট চলছে, তখন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রেইসাস জানালেন আরও দুটি সাব ভ্যারিয়েন্টের কথা। করোনার এই দুই ভ্যারিয়েন্টের উপসর্গেও এসেছে নতুন মাত্রা। টেড্রোস আধানমের মতে, করোনার দুটি সাব-ভ্যারিয়েন্ট বিএ৪ এবং বিএ৫ দক্ষিণ আফ্রিকায় দ্রুত বাড়ছে।

তার কথায়, ‘আমরা বুঝতে পারছি না কীভাবে বাড়ছে করোনা। এটাও বুঝে উঠতে পারছি না যে এরপর কী আসতে চলেছে!’

এ বিষয়ে জোয়ে কোভিড অ্যাপের প্রধান প্রফেসর টিম স্পেকটর নতুন এই দুই সাব-ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে মানুষকে সতর্ক করেছেন।

প্রফেসর টিম স্পেকটর বলেন, এখনো বিএ২ চিন্তার কারণ, তবে বিএ৪ এবং বিএ৫ আরও বেশি উদ্বেগজনক। বিএ২-এর তুলনায় এই ভ্যারিয়েন্ট আরও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে  মানুষের ইমিউনিটিকে ফাঁকি দিয়ে এই দুটি ভ্যারিয়েন্ট শরীরে বাসা বাঁধতে পারে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা। এই দুটি ভ্যারিয়েন্টের প্রধান দুটি উপসর্গের কথা বলছেন তারা।

প্রথম উপসর্গটি হলো নাকে গন্ধ বা সুবাস না পাওয়া। এ লক্ষণের সঙ্গে সাধারণ জনগণ আগেই পরিচিত। আর দ্বিতীয় লক্ষণটি হলো টিনিটাস।

এই উপসর্গটি একেবারেই নতুন। তাই এ লক্ষণটির ওপর বেশি গুরুত্ব দিতে বলছেন গবেষকরা। প্রফেসর স্পেকটরের গবেষণা বলছে, এই দুই ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ থেকে ব্রেনের খুব কাছের একটা অংশে সমস্যা তৈরি হয়। প্রতি পাঁচজন রোগীর মধ্যে একজন রোগীর এ সমস্যায় আক্রান্তের সম্ভাবনা রয়েছে।

মানুষভেদে টিনিটাসের লক্ষণে পার্থক্য হলেও একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য খুঁজে পেয়েছেন গবেষকরা। আর তা হলো কানে মৃদু কিংবা ফড়ফড় শব্দ অনুভব হওয়া, যা শুধু রোগীই অনুভব করতে পারেন।

এই উপসর্গের সঙ্গে জ্বর, মাথাব্যথা, গলাব্যথা, কাশি, শরীর ব্যথা, নাক দিয়ে পানি পড়া, ক্লান্তি ও পেটের সমস্যা থাকলে দেরি না করে করোনা টেস্ট করিয়ে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার ওপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। কেননা, দ্রুত পদক্ষেপ না নেওয়া হলে এটি শরীরে অন্য জটিলতা সৃষ্টি করার সুযোগ পেতে পারে।