• সোমবার   ১৬ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ২ ১৪২৯

  • || ১৩ শাওয়াল ১৪৪৩

আজকের পটুয়াখালী
ব্রেকিং:
উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি খাদ্য সাশ্রয় করুন: প্রধানমন্ত্রী সবাই স্বাধীনভাবে সরকারের সমালোচনা করতে পারে: প্রধানমন্ত্রী ‌ঢাকায় বসে সমালোচনা না করে গ্রামে ঘুরে আসুন বঙ্গবন্ধুর নাম কেউ মুছে ফেলতে পারবে না: প্রধানমন্ত্রী আমিরাতের নতুন প্রেসিডেন্টকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন শেখ হাসিনাকে স্পেনের সরকার প্রধানের শুভেচ্ছা পি কে হালদার গ্রেফতার নানামুখী ষড়যন্ত্র হচ্ছে, সতর্ক থাকতে বললেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে সমর্থন দেওয়ার প্রত্যয় এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্টের আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক আমিরাতের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের চার বছর পূর্তি আজ নারী খেলোয়াড়দের আরও সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ‘খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চা একটি জাতির জন্য অপরিহার্য’ ফ্ল্যাটে বাস করে শিশুরা ফার্মের মুরগির মতো হয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার দেয়া হচ্ছে ৮৫ ক্রীড়া ব্যক্তিত্বকে রাষ্ট্রপতির সাজেক সফর স্থগিত একনেকে ৫ হাজার ৮২৫ কোটি টাকার ১১ প্রকল্প অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বর্ধিত বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

ঘরোয়া সমস্যায় ঘিয়ের যত ব্যবহার

আজকের পটুয়াখালী

প্রকাশিত: ১২ মে ২০২২  

খাবারে স্বাদ বাড়াতে ঘিয়ের তুলনা নেই। বাংলার বহু রান্নায় ঘিয়ের ব্যবহার খাদ্যরসিক বাঙালির রসনার তৃপ্তি ঘটিয়ে আসছে। পোলাও, বিরিয়ানিতে ঘি একটি অত্যাবশ্যক উপকরণ। এ ছাড়া নানান রকম ভর্তা ও ভাজিতেও ঘি তার চমৎকার গন্ধের জন্য সমাদৃত। শুধু খাবারেই নয়, ঘরোয়া অনেক সমস্যায় দেখা যায় ঘিয়ের নানা ব্যবহার।
দুধ থেকে তৈরি ঘিয়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন এ, বিউটারিক অ্যাসিড ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট থাকে যা শরীরের জন্য দারুণ উপকারী। ঘিয়ে প্রয়োজনীয় ভিটামিন থাকায় এটি হজমশক্তি বাড়ানো থেকে শুরু করে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

ঘুমানোর সময় এক কাপ গরম দুধে এক বা দুই চামচ ঘি নিলে তা কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে বেশ কার্যকর। ঘিয়ে থাকা বিউটারিক অ্যাসিড অন্ত্রের সমস্যা কমায়। ঘি হজমশক্তি উন্নত করে। সেই সঙ্গে শোষণের ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে।

এ ছাড়াও ঘরোয়া সমস্যা সমাধানে ঘি যেভাবে সহায়তা করে তা তুলে ধরা হলো।

১. ঠান্ডা-সর্দি লাগা খুবই অস্বস্তিকর। ঠান্ডা লাগলে শুধু হাঁচিই হয় না, অনেকের শ্বাস নিতেও সমস্যা হয়। এ ছাড়া মুখের স্বাদ নষ্ট হয়ে যাওয়া ও মাথাব্যথা হয়। এ পরিস্থিতিতে নাকবন্ধ দূর করার অন্যতম সেরা উপায় হচ্ছে কয়েক ফোটা উষ্ণ ঘি নাকের মধ্যে ড্রপের আকারে দেওয়া। এতে শরীরের সংক্রমণের ঝুঁকিও কমে।

‌২. ঘিয়ে প্রয়োজনীয় অ্যামিনো অ্যাসিড ফ্যাটকে একত্রিত করতে এবং ফ্যাট কোষগুলোকে আকারে সংকুচিত করতে সহায়তা করে। এতে থাকা ওমেগা ৩ ও ওমেগা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরের মেদ ঝরাতে সহায়তা করে। ওজন হ্রাস করতে এবং সঠিক হজম ও শোষণ নিশ্চিত করতে প্রতিদিন খাবারে এক চা চামচ ঘি যোগ করতে পারেন।

৩. যাদের ডায়াবেটিস আছে তারা খাবারে সামান্য ঘি ছড়িয়ে খেতে পারেন। এটি গ্লাইসেমিক সূচককে আরও আর্দ্র করবে। সেই সঙ্গে হজমে ভূমিকা রাখবে।
 
৪. ঘি দীর্ঘদিন ধরেই সৌন্দর্য বাড়ানোর অনুষঙ্গ হিসেবে কাজ করছে। এতে থাকা ফ্যাটি অ্যাসিড নিস্তেজ ত্বকে সজীবতা ফিরিয়ে আনে। ঘি সব ধরনের ত্বকের জন্য উপযোগী। নরম এবং কোমল ত্বক পেতে ঘি ব্যবহার করতে পারেন।

৫. ফ্যাটি অ্যাসিড এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ঘি শুষ্ক চুলের জন্য বেশ উপকারী। এটি চুলের কন্ডিশনার হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এ জন্য দুই টেবিল চামচ ঘি এবং এক টেবিল চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে চুলে লাগাতে পারেন। এরপর ২০ মিনিট রেখে দিন। এই প্যাকটি চুল নরম করতে সাহায্য করবে। খুশকির জন্যও ঘি ও লেবুর রস ব্যবহার করতে পারেন।
 
৬. ঠোঁটের শুষ্কতা দূর করতে ঘি ব্যবহার করতে পারেন। ঘুমানোর আগে নিয়মিত ঠোঁটে ঘি লাগাতে পারেন। এতে ঠোঁট নমনীয় হয়ে উঠবে।