• মঙ্গলবার   ১৭ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৩ ১৪২৯

  • || ১৪ শাওয়াল ১৪৪৩

আজকের পটুয়াখালী
ব্রেকিং:
শেখ হাসিনা বাঙালি জাতির নিরাপদ আশ্রয়স্থল শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ইতিহাসে মাইলফলক: রাষ্ট্রপতি চার দশকেরও বেশি সময় শেখ হাসিনার সফল নেতৃত্বে আ.লীগ উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি খাদ্য সাশ্রয় করুন: প্রধানমন্ত্রী সবাই স্বাধীনভাবে সরকারের সমালোচনা করতে পারে: প্রধানমন্ত্রী ‌ঢাকায় বসে সমালোচনা না করে গ্রামে ঘুরে আসুন বঙ্গবন্ধুর নাম কেউ মুছে ফেলতে পারবে না: প্রধানমন্ত্রী আমিরাতের নতুন প্রেসিডেন্টকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন শেখ হাসিনাকে স্পেনের সরকার প্রধানের শুভেচ্ছা পি কে হালদার গ্রেফতার নানামুখী ষড়যন্ত্র হচ্ছে, সতর্ক থাকতে বললেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে সমর্থন দেওয়ার প্রত্যয় এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্টের আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক আমিরাতের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের চার বছর পূর্তি আজ নারী খেলোয়াড়দের আরও সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ‘খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চা একটি জাতির জন্য অপরিহার্য’ ফ্ল্যাটে বাস করে শিশুরা ফার্মের মুরগির মতো হয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার দেয়া হচ্ছে ৮৫ ক্রীড়া ব্যক্তিত্বকে রাষ্ট্রপতির সাজেক সফর স্থগিত

শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিয়ে গুজব ছড়াচ্ছে বিএনপি-জামায়াত

আজকের পটুয়াখালী

প্রকাশিত: ২৫ জানুয়ারি ২০২২  

করোনা সংক্রমণ বাড়ায় জনস্বার্থে দেশের সব স্কুল ও কলেজ আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। বন্ধের সময় অনলাইনে চলবে শিক্ষা কার্যক্রম। তবে বিষয়টি নিয়ে গুজব ছড়িয়ে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টায় নেমেছে বিএনপি-জামায়াত চক্র। 

তারা বলছে, দেশের শিক্ষাখাতকে ধ্বংস করতেই সরকারের এই পদক্ষেপ। কিন্তু প্রকৃত তথ্য হলো, মহামারি রূপ নেয়ার আগেই করোনাকে নিয়ন্ত্রণের প্রয়াস হিসেবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা দেয় সরকার। এটাকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়া বুদ্ধিহীনতার পরিচয় ছাড়া অন্য কিছুই নয়।

বিশ্বস্ত সূত্রের তথ্যমতে, প্রথমে করোনার টিকা, পরে লকডাউন ও ওমিক্রন নিয়ে অনলাইনে গুজব ছড়ায় বিএনপি-জামায়াত চক্র। কিন্তু সাড়া না পাওয়ায় এবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ নিয়ে নেমেছে মিথ্যা প্রচারণায়। 

এরই অংশ হিসেবে তাদের পেইড এজেন্টরা সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন পেজ ও প্রোফাইলের মাধ্যমে একের পর এক বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়াচ্ছে।

বলছে, শিক্ষার্থীদের জীবন ধ্বংস করার কোনো অধিকারই নেই সরকারের। তারা এমনটা করতেই পারে না। জনগণ সংঘবদ্ধভাবে এই তৎপরতা রুখে দেবে।

বিষয়টির জবাবে শিক্ষাবিদরা বলেন, ২২ জানুয়ারি (শনিবার) থেকে দুই সপ্তাহের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও অনলাইন অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে চলবে শিক্ষা কার্যক্রম। তাই বিষয়টির রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার কোনো মানে নেই। কারণ, বুদ্ধি-বিবেকসম্পন্ন প্রতিটি মানুষই এটা জানেন যে, করোনা সংক্রমণেরোধে সচেতনতার কোন বিকল্প নেই। আর সেই জায়গা থেকেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এখানে দোষের কিছু নেই। তাছাড়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবারো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরবে শিক্ষার্থীরা। 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বিএনপি-জামায়াতের এই অপপ্রচারকে ‘নতুন বোতলে পুরনো মদ’ উল্লেখ করে বলেন, রাজনৈতিকভাবে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়ে অনলাইনে গুজবকেন্দ্রিক রাজনীতিই এখন বিএনপি-জামায়াত জোটের শেষ ভরসা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের বিষয়টিও তার ব্যতিক্রম নয়। এটা মূলত অনেকটা নতুন বোতলে পুরনো মদের মতো। কারণ, গুজব ছড়ানো ছাড়া তাদের আর কোন কাজ নেই। সেটিই তারা মনোযোগ দিয়ে করছে। এমতাবস্থায় সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে যেন, কোনোভাবেই এই স্বাধীনতাবিরোধী চক্র তাদের নোংরা গন্তব্যে পৌঁছে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করতে না পারে।