• শুক্রবার   ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ ||

  • আশ্বিন ১৪ ১৪২৯

  • || ০২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

আজকের পটুয়াখালী
ব্রেকিং:
বিভিন্ন আয়োজনে শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপিত নভেম্বরে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ‘সব কথা বলার পর কেউ যদি বলে আমাকে কথা বলতে দিল না, তার কি জবাব!’ উন্নয়ন যাত্রার অনন্য সারথি শেখ হাসিনা শত প্রাপ্তিতেও যার তৃপ্তি কেবল মানুষের ভালোবাসাতেই ‘সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার নবতর সংগ্রামের কাণ্ডারি শেখ হাসিনা’ প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে ৭৬ হাজার চারা রোপণ করবে আওয়ামী লীগ শেখ হাসিনা: এক মানবিক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে প্রকাশ হলো ‘বাংলাদেশের নেতা’ (ভিডিও) শান্তি ও উন্নয়নের অগ্রদূত শেখ হাসিনা দক্ষ হাসিনায় নির্ভার বাংলাদেশ পিতা দিয়েছেন স্বাধীনতা, কন্যা দিয়েছে উন্নতি শেখ হাসিনা, জীবন যেন এক ফিনিক্স পাখির গল্প প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন আজ বঙ্গবন্ধুকে নিবেদিত বেঞ্চ ও বৃক্ষ পরিদর্শনে শেখ হাসিনা বাংলাদেশ বিপুল পর্যটন সম্ভাবনাময়: প্রধানমন্ত্রী পর্যটনশিল্প বিকাশে অবারিত সুযোগ আছে: রাষ্ট্রপতি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ৯ অক্টোবর জটিলতা কাটলেই চলবে ঢাকা-নিউইয়র্ক বিমান: প্রধানমন্ত্রী

বিপর্যয়ের মুখে বিশ্বের বড় বড় পানির আধার

আজকের পটুয়াখালী

প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২  

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এশিয়ায় বিশ্বের সবচে বড় সুপেয় পানির আধারও বিপর্যয়ের মুখে রয়েছে বলে সতর্ক করেছেন বিজ্ঞানীরা। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানীর গবেষণায় বের হয়ে আসে এ তথ্য। তারা জানান, এরইমধ্যে তিব্বত মালভূমি অঞ্চলের ভূপৃষ্ঠ এবং ভূগর্ভস্থ দুই ক্ষেত্রেই কমছে পানির পরিমাণ। আগামী ৩০ বছরে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে বলে সতর্ক করেছেন তারা। 

পয়াং লেক চীনের সুপেয় পানির সবচে বড় উৎস। সবুজ মাঠ, পাখির কোলাহলসহ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্যও লেকটির খ্যাতি কম নয়। তবে এ বছর পাল্টে গেছে দৃশ্যপট। পানি নেই বললেই চলে, মাটি ফেটে চৌচির। 

গবেষকরা জানান, তীব্র তাপদাহের কারণে জুলাই থেকে আগস্ট মাত্র ৪০ দিনেই ৭০ শতাংশ পানি উধাও হয়েছে লেক থেকে।

এ অবস্থায় শুধুমাত্র পয়াং লেকের ক্ষেত্রেই নয় বিশ্বের সবচে বড় সুপেয় পানির আধার তিব্বত মালভূমিতে ঘটতে যাচ্ছে একইরকম বিপর্যয়। যুক্তরাষ্ট্রের পেন স্টেট ও টেক্সাস ইউনিভার্সিটি এবং চীনের সিংহুয়া ইউনিভার্সিটির এক দল বিজ্ঞানীর গবেষণা বলছে, সাম্প্রতিক দশকগুলোতে তিব্বত মালভূমির কোনো কোনো স্থানে পানি হারানোর পরিমাণ ১৫ দশমিক ১৮ গিগাটনে পৌঁছেছে।

একইসঙ্গে মধ্য এশিয়া ও আফগানিস্তানে পানি সরবরাহ করা আমু দরিয়া অববাহিকার পানি সরবরাহের ক্ষমতা ১১৯ শতাংশ এবং ভারত-পাকিস্তানের সিন্ধু অববাহিকার পানি সরবরাহ ক্ষমতা কমেছে ৭৯ শতাংশ।

গবেষকরা জানান, তীব্র তাপদাহ একই গতিতে অব্যাহত থাকলে এই শতাব্দীর মধ্যভাগে তিব্বত মালভূমির সঞ্চিত জল থেকে ২৩০ গিগাটন জল হারিয়ে যেতে পারে। বিপর্যয় ঘটতে পারে পুরো অঞ্চলে।

একমাত্র শক্তিশালী জলবায়ু নীতিই পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পারবে বলে মত দিচ্ছেন গবেষকরা।