• মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ৪ ১৪৩১

  • || ১০ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

আজকের পটুয়াখালী
ব্রেকিং:
তারেকসহ পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে কোরবানির পশু বেচাকেনা এবং ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তার নির্দেশ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে চীনের কাছে ঋণ চেয়েছি গ্লোবাল ফান্ড, স্টপ টিবি পার্টনারশিপ শেখ হাসিনাকে বিশ্বনেতৃবৃন্দের জোটে চায় শিশুর যথাযথ বিকাশ নিশ্চিতে সকল খাতকে শিশুশ্রমমুক্ত করতে হবে শিশুশ্রম নিরসনে প্রত্যেককে আরো সচেতন হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী ব্যবসায়িদের প্রতি নিয়ম নীতি মেনে কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান বিনামূল্যে সরকারি বাড়ি গৃহহীনদের আত্মমর্যাদা এনে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর জিসিএ লোকাল অ্যাডাপটেশন চ্যাম্পিয়নস অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ প্রধানমন্ত্রীকে বদলে যাওয়া জীবনের গল্প শোনালেন সুবিধাভাগীরা আশ্রয়ণের ঘর মানুষের জীবন বদলে দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি তৈরি করে দেব : প্রধানমন্ত্রী নতুন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পাচ্ছে সাড়ে ১৮ হাজার পরিবার শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন সোনিয়া গান্ধী মোদীকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শেখ হাসিনা-মোদি বৈঠকে দু’দেশের সম্পর্ক আগামীতে আরো দৃঢ় হবে বাংলাদেশ ভুটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানি করতে আগ্রহী : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-নরেন্দ্র মোদী সংক্ষিপ্ত শুভেচ্ছা বিনিময়

এক মাসে সর্বজনীন পেনশন স্কিমে ‍জমেছে পৌনে ৮ কোটি টাকা

আজকের পটুয়াখালী

প্রকাশিত: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩  

সর্বজনীন পেনশন স্কিম চালুর প্রথম মাসে চারটি স্কিমের আওতায় এসেছেন প্রায় ১৩ হাজার মানুষ। এরই মধ্যে এই খাতে জমা হয়েছে সাড়ে সাত কোটি টাকার বেশি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চাঁদা জমা হয়েছে প্রগতি স্কিমে, সবচেয়ে কম প্রবাসী স্কিমে। পেনশন স্কিমে জমা হওয়া এসব চাঁদা সুরক্ষিতভাবে বিনিয়োগের জন্য বিধিমালা তৈরির কাজ চলছে।

জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের তথ্য বলছে, গত ১৭ আগস্ট চালুর পর ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এক মাসে পেনশন স্কিমে চাঁদা দিয়েছেন গ্রাহক হয়েছেন মোট ১২ হাজার ৯৭২ জন। সম্মিলিতভাবে চারটি স্কিমে জমা হওয়া চাঁদার পরিমাণ সাত কোটি ৬২ লাখ ১৬ হাজার ৫০০ টাকা।

পেনশন স্কিম কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য থেকে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি গ্রাহক চাঁদা জমা দিয়েছেন প্রগতি স্কিমে। তাদের সংখ্যা ছয় হাজার ১৯৪ জন, যা মোট গ্রাহকের প্রায় অর্ধেক (৪৭ দশমিক ৭৪ শতাংশ)। তাদের জমা দেওয়ার চাঁদার পরিমাণ চার কোটি পাঁচ লাখ ৫০ হাজার টাকা। আর সবচেয়ে কম প্রবাসী স্কিমে গ্রাহক হয়েছেন মাত্র ৩৯৮ জন, যা মোট গ্রাহকের মাত্র ৩ দশমিক ০৬ শতাংশ। তাদের জমা দেওয়া টাকার পরিমাণ ৮২ লাখ ২৫ হাজার টাকা।

প্রগতি স্কিম মূলত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবীদের জন্য নির্ধারিত পেনশন স্কিমের ক্যাটাগরি। চাঁদা দেওয়ার ক্ষেত্রেই তারাই সবচেয়ে বেশি এগিয়ে রয়েছেন। অন্যদিকে প্রবাসী স্কিমটি নামের মতোই প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য নির্ধারিত। পেনশন স্কিমে তাদের দিক থেকেই সাড়া মিলেছে সবচেয়ে কম।

পেনশন স্কিমে দ্বিতীয় সর্বোচ্চসংখ্যক গ্রাহক পাওয়া গেছে সুরক্ষা স্কিমে। অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত বা আত্মকর্মসংস্থানে নিয়োজিত ব্যক্তি, যেমন— কৃষক, রিকশাচালক, শ্রমিক, কামার, কুমার, জেলে, তাঁতী ইত্যাদি পেশার ব্যক্তিদের জন্য এ স্কিম চালু করা হয়েছে। এ স্কিমের আওতায় চাঁদা দিয়ে গ্রাহক হয়েছেন পাঁচ হাজার ২০ জন, যা মোট গ্রাহকের এক-তৃতীয়াংশের বেশি (৩৮ দশমিক ৬৯ শতাংশ)। এসব গ্রাহকের জমা দেওয়া চাঁদার পরিমাণ দুই কোটি ৫৬ লাখ ৭৬ হাজার টাকা।

অন্যদিকে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর জন্য রয়েছে সমতা স্কিম। এই স্কিমের আওতায় গ্রাহক হয়েছেন এক হাজার ৩৬০ জন। তাদের সংখ্যা পেনশন স্কিমের মোট গ্রাহকের ১০ দশমিক ৪৮ শতাংশ। তারা চাঁদা জমা দিয়েছেন ২২ লাখ ৭০ হাজার ৫০০ টাকা। এ স্কিমে চাঁদাদাতা যে পরিমাণ অর্থ জমা দেবেন, সরকারের পক্ষ থেকেও সমপরিমাণ অর্থ জমা দেওয়া হবে চাঁদা হিসেবে।

পেনশন স্কিমে জমা হওয়া এই চাঁদার টাকা কোথায় বিনিয়োগ করা হবে— জানতে চাইলে রোববার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় পেনশন কর্তৃপক্ষের সদস্য গোলাম মোস্তফা সারাবাংলাকে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমার পেনশন স্কিমের টাকা দিয়ে সরকারি ট্রেজারি বন্ড কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কারণ দেশে সবচেয়ে নিরাপদ বিনিয়োগ হলো সরকারি ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ। এই টাকা কখনো মার যায় না। কারণ সরকার কখনো দেউলিয়া হয় না। সরকারি বন্ডে বিনিয়োগের চেয়ে নিরাপদ বিনিয়োগ আর হতে পারে না।’

প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১৭ আগস্ট সর্বজনীন পেনশন স্কিমের উদ্বোধন করেন। বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের জন্য প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা ও সমতা— এই চারটি স্কিম নিয়ে সর্বজনীন পেনশন স্কিম চালু করা হয়ে। তবে এখনো পেনশন স্কিমের পরিচালন ব্যবস্থা, প্রশাসনিক ব্যবস্থা, বিনিয়োগ নীতি ও বিনিয়োগ টিম— এসব কিছু চূড়ান্ত করা যায়নি।

এখন পেনশন স্কিমের চাঁদা বিনিয়োগের বিধিমালা তৈরি করা হচ্ছে জানিয়ে গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘পেনশন স্কিমের চাঁদার টাকার সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ঝুঁকিমুক্ত খাতে বিনিয়োগ করা হবে। এ লক্ষ্যে বিনিয়োগ বিধিমালা তৈরির কাজ চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তা চূড়ান্ত করা হবে। তবে এর আগে প্রাথমিকভাবে সরকারি সিকিউরিটিজ বা ট্রেজারি বন্ডে চাঁদার টাকা বিনিয়োগ করা হবে।’