• বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৩০ ১৪৩১

  • || ০৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

আজকের পটুয়াখালী
ব্রেকিং:
তারেকসহ পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে কোরবানির পশু বেচাকেনা এবং ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তার নির্দেশ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে চীনের কাছে ঋণ চেয়েছি গ্লোবাল ফান্ড, স্টপ টিবি পার্টনারশিপ শেখ হাসিনাকে বিশ্বনেতৃবৃন্দের জোটে চায় শিশুর যথাযথ বিকাশ নিশ্চিতে সকল খাতকে শিশুশ্রমমুক্ত করতে হবে শিশুশ্রম নিরসনে প্রত্যেককে আরো সচেতন হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী ব্যবসায়িদের প্রতি নিয়ম নীতি মেনে কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান বিনামূল্যে সরকারি বাড়ি গৃহহীনদের আত্মমর্যাদা এনে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর জিসিএ লোকাল অ্যাডাপটেশন চ্যাম্পিয়নস অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ প্রধানমন্ত্রীকে বদলে যাওয়া জীবনের গল্প শোনালেন সুবিধাভাগীরা আশ্রয়ণের ঘর মানুষের জীবন বদলে দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি তৈরি করে দেব : প্রধানমন্ত্রী নতুন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পাচ্ছে সাড়ে ১৮ হাজার পরিবার শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন সোনিয়া গান্ধী মোদীকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শেখ হাসিনা-মোদি বৈঠকে দু’দেশের সম্পর্ক আগামীতে আরো দৃঢ় হবে বাংলাদেশ ভুটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানি করতে আগ্রহী : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-নরেন্দ্র মোদী সংক্ষিপ্ত শুভেচ্ছা বিনিময়

একজন ঠান্ডা মাথার খুনির বিদায়ের ৪৩ বছর

আজকের পটুয়াখালী

প্রকাশিত: ৩০ মে ২০২৪  

বাংলাদেশের ইাতহাসে জেনারেল জিয়াউর রহমান একটি ঘৃণিত নাম। মহান ‍মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত বাংলাদেশকে উল্টোপথে নিয়ে যাওয়ার জন্য ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে চিরকাল লেখা থাকবে সুযোগ সন্ধানী ও ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে ইতিহাসে ঠাঁই পাওয়া জেনারেল জিয়ার নাম।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার সাথে নেপথ্যের ষড়যন্ত্রকারী এবং আশ্রয় প্রশ্রয়দানকারী জিয়া বঙ্গবন্ধু হত্যার পর সবচেয়ে বেশি লাভবান হওয়া ব্যক্তি। জিয়া প্রথমে জাতির পিতাকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হত্যা করেন এবং তারপর একই বছরের ৩ নভেম্বর কারাগারে জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করেন। জিয়া পরে একের পর এক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে অনেক সামরিক কর্মকর্তাকে হত্যা করেন। জিয়াউর রহমান যেসব সামরিক কর্মকর্তাকে হত্যা করেছিলেন, তারাও জানেন না, তাদের দোষ কী ছিল। জিয়া শুধু সামরিক কর্মকর্তাদেরই হত্যা করেননি, আওয়ামী লীগের হাজার হাজার নেতাকর্মীকেও হত্যা করেছেন।

বঙ্গবন্ধু হত্যার পর ক্যূ এবং পাল্টা ক্যু’র মাধ্যমে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করা জেনারেল জিয়া তার ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে একের পর এক মুক্তিযোদ্ধা সেনা কর্মকর্তা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠকদেরকে বিচারের নামে প্রহসনের মাধ্যমে হত্যা করেন।

সাবেক এই স্বৈরাচারের আমলে দেশে ২৬টির মতো সামরিক অভ্যুত্থান ঘটেছিল বলে ভাবে জানা যায়। কেউ কেউ বলেন সংখ্যাটি ২১। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় ঘটনাটি ঘটেছিল ১৯৭৭ সালের ২ অক্টোবর। এই অভ্যুত্থানটি সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি তথ্য জানা যায়। বাকিগুলো ধোঁয়াশার আড়ালে।

১৯৭৭ সালের অক্টোবরের অভ্যুত্থানে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছিলেন শতাধিক সেনা অফিসার। অনেকে নিহত হয়েছিলেন অভ্যুত্থান দমাতে গিয়ে। আবার বিচারের নামে মেরে ফেলা হয় কয়েক শ সেনাকে। সব মিলিয়ে মোট সংখ্যাটি আড়াই হাজারের মতো হতে পারে। তাদের মধ্যে ১৩০০ জনের বেশি সেনাকে ফাঁসি ও ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে হত্যা করা হয়। বাকিদের মৃত্যুর কোনো দালিলিক প্রমাণ নেই। সেই সময় থেকে আজও তারা পরিবারের কাছে নিখোঁজ।

সত্তরের দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে নানা সময় বিভিন্নভাবে সেনা-অভ্যুত্থানের ঘটনা ঘটেছিল। রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপ এবং সেনাবাহিনীতে বিভিন্ন বিরোধী গোষ্ঠীর একে অপরের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ সেই সময়ে ঘটে চলেছিল নিয়মিতভাবেই। এমন পরিস্থিতির ধারাবাহিকতায় ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সামরিক বাহিনীর একদল অফিসারের হামলায় নিহত হন দেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি লেফটেন্যান্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান।

খুনের রাজনীতি সবসময় করুণ পরিণতি বয়ে আনে। যার উৎকৃষ্ট প্রমাণ হলেন খুনি জিয়াউর রহমান। ১৯৮১ সালের ৩০ মে সামরিক অভ্যুত্থানে জিয়াউর রহমান মৃত্যুবরণ করেন। হত্যার রাজনীতি যে কি ভয়াবহ হতে পারে জিয়াউর রহমানের মৃত্যু তার একটি উদাহরণ।